সংবাদ • ডিজাইন • টেকনোলজি • বিজনেস • লাইফস্টাইল • আইডিয়া
BREAKINGসর্বশেষ খবর ও নতুন পোস্ট জানতে নিয়মিত আমাদের সাইট ভিজিট করুন • নতুন ডিজাইন • টেক আপডেট • বিজনেস • ইন্টেরিয়র • গ্রাফিক ডিজাইন

⭐ Featured Posts

সব দেখুন →

🔴 Breaking / Latest News

আরও খবর →

💼 Business

Business →

💻 Technology / Top & Tech

Tech →

🏠 Interior Design

Interior →

🌳 Landscape Design

Landscape →

🎨 Graphic Design

Graphic →

✨ Editor's Choice

Editor's Choice →

🔥 Trending

Trending →

📸 Gallery

Gallery →

🏛️ Architecture

Architecture →

🛋️ Home & Decor

Home Decor →

🤖 AI & Future

AI →

📱 Gadgets & Digital

Gadgets →

🌍 Environment & Green Ideas

Environment →

💡 Tips & Tutorials

Tips →

🌟 Inspiration

Inspiration →

📧 Subscribe করুন

নতুন পোস্ট, খবর ও ডিজাইন আইডিয়া সবার আগে পেতে আপনার ইমেইল দিন।

🔥 Popular Posts

সব পোস্ট →

🔎 Explore More

বিষয়ভিত্তিক আরও অপশন

যুক্তরাজ্যে ফেরার পরিকল্পনার মধ্যেই বড় আইনি ব্যয়ের চাপে প্রিন্স হ্যারি

 


যুক্তরাজ্যে ফেরার পরিকল্পনার মধ্যেই বড় আইনি ব্যয়ের চাপে প্রিন্স হ্যারি

যুক্তরাজ্যে স্ত্রী মেগান মার্কেল ও দুই সন্তানকে নিয়ে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানানোর কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন আইনি চাপে পড়েছেন প্রিন্স হ্যারি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল-এর প্রকাশক অ্যাসোসিয়েটেড নিউজপেপার্স লিমিটেডের (এএনএল) বিরুদ্ধে করা গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও অবৈধ তথ্য সংগ্রহের মামলায় পরাজয়ের পর এবার বিপুল আইনি ব্যয়ের মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাঁকে।

মামলাটিতে হ্যারিসহ মোট সাতজন বাদী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে সংগীতশিল্পী এলটন জন, তাঁর স্বামী ডেভিড ফার্নিশ, অভিনেত্রী লিজ হার্লি, স্যাডি ফ্রস্ট, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সাবেক উপনেতা সাইমন হিউজেস এবং অধিকারকর্মী ব্যারনেস লরেন্স রয়েছেন।

শুক্রবার যুক্তরাজ্যের হাইকোর্ট মামলার আইনি ব্যয় নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আদেশ দিয়েছেন। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাদীদের আগামী শুক্রবারের মধ্যে এএনএলকে অন্তর্বর্তীকালীন হিসেবে প্রায় ৯৫ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ড পরিশোধ করতে হবে।

বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ১৫৮ কোটি টাকা। তবে এটিই শেষ নয়। মামলায় এএনএল জানিয়েছে, তাদের মোট আইনি ব্যয় ৩ কোটি ৪৫ লাখ পাউন্ড পর্যন্ত হয়েছে। আদালতের চূড়ান্ত হিসাবের পর এর বড় একটি অংশ বাদীদের কাছ থেকে আদায়ের চেষ্টা করতে পারে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানটি।

মামলায় হেরে যাওয়ার পর বাড়ছে আর্থিক চাপ

গত ৭ জুলাই বিচারপতি নিকলিন বাদীদের করা অবৈধ তথ্য সংগ্রহের অভিযোগগুলো খারিজ করে দেন। এএনএল শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিল।

মামলার রায়ের পর এবার আইনি খরচের বিষয়টিও হ্যারিদের জন্য বড় উদ্বেগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আদালত জানিয়েছে, এএনএলের আইনি ব্যয়ের ক্ষেত্রে সাধারণ সীমা প্রযোজ্য হবে না। বরং নির্দিষ্ট কিছু খরচ বাদ দিয়ে বাকি ব্যয় ‘ইনডেমনিটি বেসিসে’ নির্ধারণ করা হবে।

এর ফলে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ নিয়মের তুলনায় তুলনামূলক বেশি আইনি খরচ আদায়ের সুযোগ পেতে পারে।

তবে এএনএলের দাবি করা পুরো ৩ কোটি ৪৫ লাখ পাউন্ডই যে শেষ পর্যন্ত আদায় হবে, তা নিশ্চিত নয়। বিচারপতি নিকলিন নিজেই এই অঙ্ককে অত্যন্ত বেশি বলে মন্তব্য করেছেন এবং ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

বাদীদের অভিযোগ নিয়েও আদালতের কঠোর মন্তব্য

রায়ে বিচারপতি নিকলিন মামলাটির পরিচালনা নিয়েও কঠোর সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে, বাদীদের করা গুরুতর কিছু অভিযোগ শেষ পর্যন্ত প্রত্যাহার করা হয়নি, যদিও সেগুলোর পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ ছিল না বলে আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।

বিচারপতি বলেন, কোনো পক্ষ যদি কোনো গুরুতর অভিযোগ নিয়ে আর এগোতে না চায় অথবা সেটি প্রমাণ করার মতো যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ না থাকে, তাহলে অভিযোগটি পরিষ্কারভাবে প্রত্যাহার করা উচিত।

তিনি আরও মনে করেন, প্রমাণের ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ ধরে রেখে মামলা এগিয়ে নেওয়া যথাযথ বা সুশৃঙ্খল পদ্ধতি ছিল না।

এএনএল আদালতের এই রায়কে নিজেদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে দেখছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংবাদপত্রটির সাংবাদিক, সম্পাদক ও নির্বাহীদের সুনাম ক্ষুণ্ন করার যে চেষ্টা হয়েছিল, আদালতের রায়ে তার কঠোর সমালোচনা এসেছে।

আপিলের সুযোগ রয়েছে হ্যারির

তবে আইনি লড়াই এখানেই শেষ হচ্ছে না। প্রিন্স হ্যারি ও মামলার অন্য বাদীদের ২ অক্টোবর পর্যন্ত আপিলের সুযোগ দিয়েছে আদালত।

মামলার অন্যতম বাদী সাইমন হিউজেস জানিয়েছেন, তিনি রায়ে হতাশ। মূল মামলার রায় এবং আইনি ব্যয়সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত—দুটিই পর্যালোচনা করে এরপর আপিল করবেন কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।

হ্যারি ও ব্যারনেস লরেন্সও এর আগে মামলাটি খারিজ হওয়ার পর হতাশা প্রকাশ করেছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, তাঁরা ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার আশায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।

যুক্তরাজ্যে ফেরার ঘোষণার পরই নতুন চাপ

প্রিন্স হ্যারির জন্য এই আইনি জটিলতা এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন তিনি ও তাঁর স্ত্রী মেগান মার্কেল যুক্তরাজ্যে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

জানা গেছে, তাঁদের সন্তান প্রিন্স আর্চি ও প্রিন্সেস লিলিবেটকে যুক্তরাজ্যের আগামী শিক্ষাবর্ষের জন্য স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে। ফলে পরিবার নিয়ে হ্যারির যুক্তরাজ্যে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এর মধ্যেই আদালতের এই আর্থিক আদেশ তাঁর জন্য নতুন চাপ তৈরি করেছে। মামলায় চূড়ান্তভাবে কত অর্থ পরিশোধ করতে হবে, তা পরবর্তী আইনি ব্যয় নির্ধারণের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই স্পষ্ট হবে।

সূত্র: ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ও আদালতের নথির ভিত্তিতে

Comments