adsterra
adsterra
Recent Posts
Recent in Sports
adsterra
Ticker
6/recent/ticker-posts
নতুন পোস্ট, খবর ও ডিজাইন আইডিয়া সবার আগে পেতে আপনার ইমেইল দিন।
সংক্ষিপ্ত নিউজ:
দলকে আরও শক্তিশালী করতে গোলরক্ষক পজিশনে বড় সংযোজনের পথে চেলসি। ৭.৫ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে এমি মার্তিনেজকে দলে সই করাতে সম্মত হয়েছে ইংলিশ ক্লাবটি। চুক্তিটি সম্পন্ন হলে চেলসির গোলবারে নতুন অধ্যায় শুরু করবেন আর্জেন্টাইন এই গোলরক্ষক।
ওয়েবসাইটের জন্য ছোট ক্যাপশন:
চেলসির নতুন গোলরক্ষক হতে চলেছেন এমি মার্তিনেজ? 💙⚽
৭.৫ মিলিয়ন পাউন্ডে চুক্তিতে সম্মতির খবর!
ধান রোপণের কাজে মাঠে নেমেছিলেন কৃষক বাবা। কিন্তু হঠাৎ জোঁকের কামড়ে অসহ্য কষ্টে পড়ে যান তিনি। বাবার এই কষ্ট সহ্য করতে না পেরে ছেলে তাঁকে কোলে তুলে নিয়ে ছুটতে শুরু করে। পাশে উদ্বিগ্ন চোখে দাঁড়িয়ে ছিলেন মা।
গ্রামের মাটির সঙ্গে যাঁদের জীবন ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে, তাঁদের প্রতিদিনের পথচলা যে কতটা কঠিন—এই হৃদয়ছোঁয়া দৃশ্য যেন তারই এক নীরব প্রতিচ্ছবি।
ধান রোপণের মৌসুমে কাদা-পানিতে নেমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পরিশ্রম করেন কৃষকেরা। রোদ, বৃষ্টি কিংবা নানা ধরনের প্রতিকূলতা—কোনো কিছুই তাঁদের থামাতে পারে না। কারণ তাঁদের শ্রমের ওপরই নির্ভর করে অসংখ্য পরিবারের খাদ্যের জোগান।
কিন্তু মাঠে কাজ করতে গিয়ে যখন কৃষক নিজেই বিপদে পড়েন, তখন পরিবারের ভালোবাসা হয়ে ওঠে তাঁর সবচেয়ে বড় আশ্রয়। বাবার কষ্ট দেখে ছেলের তাঁকে কোলে তুলে নেওয়ার দৃশ্যটি যেন সেই ভালোবাসারই এক অসাধারণ উদাহরণ।
কৃষকের জীবন শুধু কঠোর পরিশ্রমের গল্প নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে পরিবার, দায়িত্ব আর আপনজনের প্রতি গভীর টান। সামান্য একটি ঘটনার মধ্যেও তাই ফুটে ওঠে পরিবারের সদস্যদের পারস্পরিক ভালোবাসা ও মমতা।
মাটির মানুষের জীবন যতই কঠিন হোক, পরিবারের ভালোবাসা ও পাশে থাকার শক্তিই তাঁদের প্রতিকূলতার মধ্যেও এগিয়ে যাওয়ার সাহস জোগায়। 🌾💚
শিরোনামের বিকল্প:
👉 জোঁকের কামড়ে মাঠেই কাতর কৃষক বাবা, কোলে তুলে ছেলের ছুটে চলার দৃশ্য হৃদয় ছুঁয়েছে
👉 বাবার কষ্ট দেখে কোলে তুলে নিল ছেলে, কৃষক পরিবারের ভালোবাসার হৃদয়ছোঁয়া দৃশ্য
প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনে চাকরি, ব্যবসা ও সমাজে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। তাঁর মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের পরিবর্তনের গতি এত দ্রুত যে, এর জন্য এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত নয় বিশ্ব।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশ আগামী দিনে মানুষের জীবন ও কর্মক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। চাকরি থেকে শুরু করে সরকার, ব্যবসা, চিকিৎসা, শিক্ষা এমনকি মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কেও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিল গেটস।
সম্প্রতি ‘দ্য টার্বুলেন্ট এআই এরা ইজ হেয়ার: দ্য চয়েসেস উই মেক নাউ আর ক্রিটিক্যাল’ শিরোনামের এক লেখায় তিনি এআইয়ের ভবিষ্যৎ প্রভাব নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছেন।
বিল গেটসের মতে, এআইয়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে কর্মসংস্থানে। বিশেষ করে প্রাথমিক ও মধ্যম পর্যায়ের অনেক চাকরি প্রযুক্তির কারণে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
আইন, গ্রাহকসেবা, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, চিকিৎসাবিজ্ঞান, বিক্রয় ও উৎপাদনসহ বিভিন্ন খাতে এআই দ্রুত পরিবর্তন আনতে পারে। তাঁর আশঙ্কা, অতীতে যে পরিবর্তন ঘটতে কয়েক প্রজন্ম সময় লেগেছে, এআইয়ের ক্ষেত্রে তা মাত্র এক দশকের মধ্যেই ঘটে যেতে পারে।
তবে একই সঙ্গে নতুন ধরনের কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে বলে মনে করেন তিনি। এসব চাকরির জন্য প্রয়োজন হবে নতুন দক্ষতা ও প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান।
এআইয়ের সক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তরুণদের কর্মজীবনের শুরুটাও কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করেন বিল গেটস।
তাঁর মতে, নতুন কর্মীদের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ের কাজের সুযোগ কমে গেলে অভিজ্ঞ কর্মীদের কাছ থেকে শেখা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগও সীমিত হতে পারে।
শুধু অফিসের কাজ নয়, এই দশকের শেষ নাগাদ স্মার্ট রোবট কিছু শারীরিক কাজেও মানুষের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি।
এআইয়ের আরেকটি বড় ঝুঁকি হিসেবে জালিয়াতি, ডিপফেক, ভুল তথ্য ও সাইবার হামলার কথা উল্লেখ করেছেন বিল গেটস।
তাঁর আশঙ্কা, এআই যত শক্তিশালী হবে, অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহারকারীদের হাতেও তত শক্তিশালী প্রযুক্তি পৌঁছে যাবে। ফলে ব্যক্তিগত প্রতারণা থেকে শুরু করে বড় ধরনের সাইবার আক্রমণ পর্যন্ত বিভিন্ন ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।
শক্তিশালী এআই প্রযুক্তি রাষ্ট্র বা সরকারও ভুলভাবে ব্যবহার করতে পারে—এমন আশঙ্কার কথাও তুলে ধরেছেন তিনি।
তবে বিল গেটস এআইয়ের অগ্রগতি থামিয়ে দেওয়ার পক্ষে নন। বরং তাঁর মতে, সঠিকভাবে ব্যবহার করা গেলে এআই চিকিৎসক ও শিক্ষকদের সহায়তা, সরকারি সেবার উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের জন্য বড় ধরনের সুফল বয়ে আনতে পারে।
তবে সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় এখন থেকেই কার্যকর নীতিমালা ও পরিকল্পনা তৈরি করা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।
এআই ও রোবটের কারণে যেসব মানুষ কর্মসংস্থান হারাতে পারেন, তাঁদের সহায়তা ও পুনর্বাসনের বিষয়েও গুরুত্ব দিয়েছেন বিল গেটস।
বিশেষ করে যেসব কাজে মানুষের সহানুভূতি, আবেগ ও সরাসরি মানবিক যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—সেসব ক্ষেত্রে মানুষের ভূমিকা সংরক্ষণের ধারণা তুলে ধরেছেন তিনি।
একই সঙ্গে অটোমেশনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের সহায়তার জন্য এআই ও রোবটভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে কর আরোপের মতো নীতিগত ব্যবস্থার কথাও বলেছেন।
সব মিলিয়ে বিল গেটসের সতর্কবার্তার মূল কথা হলো—এআইকে ভয় না পেয়ে এর পরিবর্তনের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে।
শিক্ষা, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা, করব্যবস্থা, জ্বালানি ও জাতীয় নিরাপত্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকার ও নীতিনির্ধারকদের সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন। কারণ এআইয়ের পরিবর্তন ধীরে নয়, বরং অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
দেবিদ্বার উপজেলার এক গ্রামের চায়ের স্টলে সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিন ও ক্যাপ্টেন হাসনাত আবদুল্লাহ এমপিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে প্রাণবন্ত এক মুহূর্ত। গ্রামের সাধারণ মানুষের আড্ডার পরিচিত পরিবেশে চায়ের কাপে জমে ওঠে তাঁদের সাক্ষাৎ ও কথোপকথন।
শহুরে ব্যস্ততার বাইরে গ্রামের চায়ের দোকানে এমন স্বতঃস্ফূর্ত সাক্ষাৎ স্থানীয়দের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি করেছে। সাধারণ মানুষের কাছাকাছি গিয়ে তাঁদের কথা শোনা এবং এলাকার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময়ের এমন পরিবেশে উঠে আসে জনজীবনের নানা প্রসঙ্গ।
দেবিদ্বারের স্থানীয় মানুষের জীবনযাপন, এলাকার উন্নয়ন, তরুণদের সম্ভাবনা এবং সাধারণ মানুষের বিভিন্ন প্রত্যাশা নিয়ে কথোপকথনের আবহ তৈরি হয়। চায়ের টেবিলের এই অনানুষ্ঠানিক পরিবেশে রাজনৈতিক ও সামাজিক নানা বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে।
গ্রামের চায়ের স্টল বাংলাদেশের সামাজিক জীবনের একটি পরিচিত অংশ। সেখানে জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকের এমন সাক্ষাৎ সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের একটি স্বাভাবিক ও প্রাণবন্ত চিত্র তুলে ধরে।
দেবিদ্বারের মাটির মানুষের কাছে, গ্রামের চায়ের আড্ডায়—এমন মুহূর্তই তৈরি করে জনসম্পৃক্ততার সুন্দর ছবি।
ওয়েবসাইটের জন্য বিকল্প শিরোনাম:
👉 “দেবিদ্বারের গ্রামে চায়ের আড্ডায় ক্যাপ্টেন হাসনাত আবদুল্লাহ ও সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিন”
👉 “চায়ের কাপে জমল আড্ডা, দেবিদ্বারের গ্রামে সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিনের সঙ্গে ক্যাপ্টেন হাসনাত”
👉 “গ্রামের চায়ের স্টলে ক্যাপ্টেন হাসনাত, সঙ্গে সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিন”
জীবন-মৃত্যু নিয়ে মানুষের সিদ্ধান্ত, চিকিৎসাবিজ্ঞান ও আইনের সীমারেখা—সবকিছুকে ঘিরেই নতুন করে আলোচনায় এসেছে সুইজারল্যান্ডের ‘সারকো’ (Sarco) ক্যাপসুল। দেখতে অনেকটা কফিনের মতো এই ক্যাপসুলকে সহায়তাপ্রাপ্ত মৃত্যুর একটি প্রযুক্তি হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘সুইজারল্যান্ড এটি আইনগতভাবে অনুমোদন করেছে’—এ দাবি বিভ্রান্তিকর।
সুইজারল্যান্ডে নির্দিষ্ট শর্তে সহায়তাপ্রাপ্ত আত্মহত্যা আইনসম্মত হলেও Sarco ক্যাপসুলকে দেশটির সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেয়নি। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে সুইস সরকার জানায়, ক্যাপসুলটি পণ্য-নিরাপত্তা আইনের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে না এবং এতে নাইট্রোজেন ব্যবহারের বিষয়টিও আইনি প্রশ্ন তৈরি করে।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে সুইজারল্যান্ডে Sarco ব্যবহারের পর বিষয়টি আরও বিতর্কিত হয়ে ওঠে। ঘটনাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে তদন্তও শুরু হয়। ২০২৬ সালের জুনে সুইস ফেডারেল কোর্ট তদন্তসংশ্লিষ্ট কিছু নথি প্রসিকিউটরদের পর্যালোচনার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে রায় দেয়—অর্থাৎ বিষয়টি এখনো পুরোপুরি নিষ্পত্তি হয়নি।
Sarco-কে এমন একটি ক্যাপসুল হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে ব্যবহারকারী নিজেই একটি প্রক্রিয়া সক্রিয় করেন। এর নকশা ও কার্যপ্রণালি নিয়ে চিকিৎসা, নৈতিকতা, আইন এবং মানবাধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে।
তবে এটিকে ‘ব্যথাহীন মৃত্যু নিশ্চিত করে’—এমন দাবি নির্ভরযোগ্যভাবে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়। এ ধরনের বক্তব্য মূলত ক্যাপসুলটির নির্মাতা ও সমর্থকদের দাবি হিসেবে এসেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাঝে মাঝে এমন দাবি দেখা যায় যে ২০৩০ সালের মধ্যে আত্মহত্যা মহামারি আকার ধারণ করবে। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) প্রকাশিত তথ্য ও লক্ষ্য থেকে এমন কোনো নির্দিষ্ট ভবিষ্যদ্বাণী পাওয়া যায় না।
বরং WHO-এর লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী আত্মহত্যার হার এক-তৃতীয়াংশ কমানো। সংস্থাটি জানিয়েছে, বর্তমান গতিতে বিশ্ব সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথে নেই এবং আত্মহত্যা প্রতিরোধে আরও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
WHO-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে বিশ্বজুড়ে ৭ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষ আত্মহত্যায় মারা গেছেন। সংস্থাটি আত্মহত্যা প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ের সহজলভ্যতা কমানো, দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন, তরুণদের জীবনদক্ষতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের দ্রুত সহায়তা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।
Sarco নিয়ে বিতর্ক শুধু একটি মেশিনের বৈধতা নিয়ে নয়; এটি মানুষের জীবন, ব্যক্তিস্বাধীনতা, চিকিৎসাবিজ্ঞানের দায়িত্ব এবং রাষ্ট্রের আইনি কাঠামো নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছে।
বিশ্বজুড়ে আত্মহত্যা প্রতিরোধের ওপর গুরুত্ব বাড়ছে। তাই ভবিষ্যৎ নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর পরিবর্তে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা, সংকটে থাকা মানুষকে দ্রুত সহায়তা দেওয়া এবং আত্মহত্যা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
শিরোনামের আরও আকর্ষণীয় বিকল্প:
“সুইজারল্যান্ডের ‘সারকো’ ক্যাপসুল ঘিরে তীব্র বিতর্ক, ২০৩০ সালে আত্মহত্যা নিয়ে কী বলছে WHO?”
বিমান চলাচলের ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলক তৈরি হয়েছে। প্রথমবারের মতো আকাশে উড়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যাটারি-ইলেকট্রিক উড়োজাহাজ। Heart Aerospace-এর তৈরি X1 নামের এই পরীক্ষামূলক উড়োজাহাজটি সম্পূর্ণ ব্যাটারির শক্তিতে উড়েছে।
গত ১২ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের প্ল্যাটসবর্গ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে X1-এর প্রথম পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন সম্পন্ন হয়। উড্ডয়নটি স্থায়ী হয় ২৭ মিনিট। এ সময় উড়োজাহাজটি ভূমি থেকে প্রায় ১ হাজার ১০০ ফুট উচ্চতায় ওঠে।
X1-এর ডানার বিস্তার প্রায় ১০৬ ফুট। নাক থেকে লেজ পর্যন্ত এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৭৬ ফুট এবং উড্ডয়নের সময় এর ওজন ছিল ২৫ হাজার পাউন্ডের বেশি।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, উড়োজাহাজটির প্রপালশন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ব্যাটারি-ইলেকট্রিক। পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে এর বৈদ্যুতিক প্রপালশন সিস্টেম এক মেগাওয়াটের বেশি শক্তি সরবরাহ করেছে।
প্রথম উড্ডয়নের আরেকটি চমকপ্রদ তথ্য সামনে এসেছে। Heart Aerospace-এর হিসাবে, পুরো ২৭ মিনিটের পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে X1-এর জন্য ব্যবহৃত বিদ্যুতের খরচ ছিল আনুমানিক ৫ মার্কিন ডলার।
অবশ্য এটি ছিল পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন; এতে কোনো যাত্রী ছিলেন না। একজন পাইলট উড়োজাহাজটি পরিচালনা করেন। পরীক্ষায় ট্যাক্সি, উড্ডয়ন, ওপরে ওঠা, বিভিন্ন কৌশলগত মুভমেন্ট এবং অবতরণের ধাপ সম্পন্ন করা হয়।
X1 মূলত একটি পরীক্ষামূলক উড়োজাহাজ। এর মাধ্যমে Heart Aerospace ভবিষ্যতের বাণিজ্যিক বৈদ্যুতিক উড়োজাহাজ তৈরির প্রযুক্তি পরীক্ষা করছে।
কোম্পানিটি একই প্রযুক্তির ভিত্তিতে ES-30 নামে ৩০ আসনের একটি হাইব্রিড-ইলেকট্রিক আঞ্চলিক উড়োজাহাজ তৈরির কাজ করছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ES-30-এর ফ্লাইট টেস্ট ২০২৮ সালে শুরু হওয়ার কথা এবং বাণিজ্যিক সেবায় প্রবেশের লক্ষ্য ২০৩১ সাল।
বিমান পরিবহনে জ্বালানি খরচ একটি বড় বিষয়। প্রচলিত উড়োজাহাজে জেট ফুয়েলের পরিবর্তে ব্যাটারি ও বৈদ্যুতিক প্রপালশন ব্যবহারের সম্ভাবনা তাই দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণার বিষয়।
X1-এর সফল উড্ডয়ন দেখিয়েছে যে অপেক্ষাকৃত বড় আকারের একটি উড়োজাহাজকে ব্যাটারির শক্তিতে আকাশে তোলা সম্ভব। তবে যাত্রী পরিবহনের জন্য এ ধরনের প্রযুক্তিকে আরও অনেক পরীক্ষা, উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
Heart Aerospace-এর লক্ষ্য হলো ভবিষ্যতে কম খরচে এবং তুলনামূলক কম পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে আঞ্চলিক বিমান চলাচল চালু করা। X1-এর পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন সেই লক্ষ্য পূরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশ্ব যখন জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প খুঁজছে, তখন আকাশপথে বৈদ্যুতিক প্রযুক্তির এই অগ্রগতি বিমান শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিতে পারে।
তবে পুরোপুরি ব্যাটারি-চালিত বড় যাত্রীবাহী বিমান নিয়মিত বাণিজ্যিক সেবায় কবে আসবে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। X1-এর পরবর্তী পরীক্ষাগুলো সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সূত্র: Heart Aerospace ও বিমান চলাচলবিষয়ক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন।
প্রশান্ত মহাসাগরে দ্রুত বদলে যাচ্ছে সমুদ্র ও বায়ুমণ্ডলের পরিস্থিতি। আবহাওয়া ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস বলছে, ২০২৬ সালের শেষভাগে একটি খুব শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যার প্রভাব ২০২৭ সালের শুরু পর্যন্ত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (NOAA) সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর সময়ে খুব শক্তিশালী El Niño হওয়ার সম্ভাবনা ৮১ শতাংশের বেশি। আগস্টের আরও সাম্প্রতিক মূল্যায়নে NOAA জানিয়েছে, এই সম্ভাবনা ৯০ শতাংশেরও বেশি হতে পারে।
El Niño হলো প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি জলবায়ু ঘটনা। এর প্রভাবে বায়ুমণ্ডলীয় প্রবাহ ও বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক ধরন বদলে যেতে পারে।
ফলে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে একই সময়ে ভিন্ন ধরনের আবহাওয়া দেখা দিতে পারে—কোথাও অতিরিক্ত বৃষ্টি, আবার কোথাও খরা ও তাপপ্রবাহের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
শক্তিশালী El Niño হলে বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক প্রবণতায় পরিবর্তন আসতে পারে। তবে এর প্রভাব সব দেশে বা সব অঞ্চলে একই রকম হবে না—এ বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো কোনো অঞ্চলে অতিবৃষ্টি ও বন্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে, আবার অন্য অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কমে গিয়ে খরা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে কিছু এলাকায় তাপপ্রবাহের প্রবণতাও বাড়তে পারে।
NOAA-এর আগস্ট ২০২৬-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর সময়ে ঐতিহাসিকভাবে খুব শক্তিশালী El Niño হওয়ার সম্ভাবনা ৬৯ শতাংশ, যদি Niño-3.4 অঞ্চলের তিন মাসের গড় তাপমাত্রা বিচ্যুতি +২.৫°C বা তার বেশি হয়। এমন মাত্রার ঘটনা ১৯৫০ সালের পরের বড় El Niño ঘটনাগুলোর মধ্যে অন্যতম হতে পারে।
তবে এটিকে এখনই নিশ্চিতভাবে “ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ El Niño” বলা ঠিক হবে না। জলবায়ুর দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে অনিশ্চয়তা থাকে এবং পরিস্থিতি সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে।
El Niño-এর প্রভাব বিশ্বজুড়ে একরকম নয়। তাই শুধু El Niño-এর পূর্বাভাসের ভিত্তিতে বাংলাদেশে ২০২৭ সালে ঠিক কী ধরনের আবহাওয়া হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
তবে জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা সাধারণত মনে করেন, শক্তিশালী El Niño হলে দক্ষিণ এশিয়ার বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা ও মৌসুমি আবহাওয়ার ধরনে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। ফলে কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা ও জনস্বাস্থ্যের ওপরও এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আগাম প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী El Niño ২০২৬ সালের শেষভাগে আরও শক্তিশালী হতে পারে এবং ২০২৭ সালের শুরুর দিক পর্যন্ত টিকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। NOAA-এর হিসাবে, ২০২৭ সালের বসন্তের শুরু পর্যন্ত El Niño থাকার সম্ভাবনাও খুব বেশি।
তাই এখনই আতঙ্কিত হওয়ার চেয়ে আবহাওয়ার সরকারি পূর্বাভাস ও বিশেষজ্ঞদের আপডেট নিয়মিত অনুসরণ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
শিরোনামের বিকল্প:
👉 “সুপার এল নিনোর শঙ্কা, ২০২৭ সালে বদলে যেতে পারে বিশ্বের আবহাওয়ার চিত্র!”
দীর্ঘ বিরতির পর মাঠে ফিরেই নিজের চেনা রূপ দেখালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। আল-রিয়াদের বিপক্ষে আল-নাসরের জার্সিতে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে গোল করেছেন পর্তুগিজ এই মহাতারকা। তাঁর গোলেই শুধু দল জয় পায়নি, তৈরি হয়েছে ফুটবলের ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলকও।
শুক্রবার সৌদি প্রো লিগের ম্যাচে আল-রিয়াদকে ৪–০ গোলে হারিয়েছে আল-নাসর। ম্যাচের শুরুতে বেঞ্চে থাকা রোনালদো ৬২ মিনিটে মাঠে নামেন। এরপর ম্যাচের ৮৩ মিনিটে সতীর্থ আইমান ইয়াহিয়ার পাস থেকে বল পেয়ে দারুণ দক্ষতায় প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাঁ পায়ের শটে জালে বল পাঠান তিনি।
বিশ্বকাপের পর এটাই ছিল আল-নাসরের হয়ে রোনালদোর প্রথম ম্যাচ। মাঠে নামার মাত্র ২০–২১ মিনিটের মধ্যেই গোল করে নিজের প্রত্যাবর্তন স্মরণীয় করে রাখেন ৪১ বছর বয়সী এই তারকা।
এই গোলের মাধ্যমে রোনালদোর ক্যারিয়ারে মোট গোলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৭৭। অর্থাৎ বহুল কাঙ্ক্ষিত ১ হাজার গোলের মাইলফলক থেকে এখন মাত্র ২৩ গোল দূরে রয়েছেন তিনি।
রোনালদোর এই গোলের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব তাঁর ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানে। ২০২৬–২৭ মৌসুমে গোল করার মাধ্যমে টানা ২৫টি পেশাদার মৌসুমে গোল করার রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
এর আগে এই রেকর্ড ছিল সুইডিশ কিংবদন্তি জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচের দখলে। ইব্রাহিমোভিচ টানা ২৪ মৌসুমে গোল করেছিলেন। রোনালদো এবার তাঁকে ছাড়িয়ে এককভাবে এই রেকর্ডের মালিক হয়েছেন।
রোনালদোর এই গোলের যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০২–০৩ মৌসুমে স্পোর্টিং পর্তুগালের হয়ে। এরপর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ, জুভেন্টাস ও আল-নাসরের হয়েও নিয়মিত গোল করে গেছেন তিনি।
২০২৬ বিশ্বকাপের পর আল-নাসরের প্রথম দুই ম্যাচে খেলেননি রোনালদো। আল-নাসরের লিগের উদ্বোধনী ম্যাচে আল-ফাতেহর বিপক্ষে ৩–০ জয় এবং কিংস কাপের ম্যাচে আল-দিরিয়াহর বিপক্ষে ৪–১ জয়ের সময়ও দলের বাইরে ছিলেন তিনি।
বিশ্বকাপ ও ব্যক্তিগত ব্যস্ততার পর ১৩ আগস্ট দলের অনুশীলনে ফেরেন রোনালদো। তাই কোচ অ্যাঞ্জে পোস্টেকোগ্লু তাঁকে আল-রিয়াদের বিপক্ষে শুরু থেকেই না খেলিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেন।
ম্যাচ শেষে রোনালদোর পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন আল-নাসরের কোচ অ্যাঞ্জে পোস্টেকোগ্লু। তাঁর মতে, দীর্ঘ বিরতির পর রোনালদোর ধীরে ধীরে মাঠে ফেরাটাই ছিল গুরুত্বপূর্ণ। আর মাঠে নেমে গোল করে তিনি দেখিয়েছেন, কেন এখনো দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় তিনি।
রোনালদোর গোলটি আল-নাসরের ৪–০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে। একই সঙ্গে নতুন মৌসুমে দলটির দুর্দান্ত শুরুটাও অব্যাহত থাকে।
৯৭৭ গোল নিয়ে রোনালদো এখন ক্যারিয়ারের ১ হাজার গোলের ঐতিহাসিক মাইলফলকের আরও কাছে। ৪১ বছর বয়সেও গোলের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে তিনি যে সেই লক্ষ্য পূরণে মরিয়া, তা তাঁর সর্বশেষ পারফরম্যান্সেই স্পষ্ট।
ফুটবল ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ের দিকে এগিয়ে গেলেও রোনালদোর গোলের ক্ষুধা যে এখনো কমেনি, আল-রিয়াদের বিপক্ষে মাঠে ফিরেই গোল করে সেটিই আবার প্রমাণ করলেন পর্তুগিজ এই কিংবদন্তি।
সূত্র: সৌদি প্রো লিগ ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম।
দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে সোনার দাম। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো মূল্য সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দর অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরি গহনার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১২ টাকা। নতুন এই দাম শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি গ্রামে ৪৭০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ভরিপ্রতি নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১২ টাকা।
এর আগে ২০ আগস্ট ২২ ক্যারেট সোনার দাম ভরিতে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা করা হয়েছিল। মাত্র দুই দিনের মাথায় নতুন করে দাম বাড়ানোর ফলে ভরিতে মোট বৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ হাজার ৪৮৪ টাকা।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট সোনার প্রতি গ্রাম দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার ১৫০ টাকা। সে হিসাবে এক ভরির দাম প্রায় ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩৭৫ টাকা।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেট সোনার প্রতি গ্রাম দাম ১৭ হাজার ৩০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি গ্রাম দাম ১৪ হাজার ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা খাঁটি সোনার দাম বেড়েছে। পাশাপাশি রুপার দামও বেড়েছে। সার্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে দেশের বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও সোনার দাম এখন ঊর্ধ্বমুখী। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম টানা তৃতীয় সপ্তাহে বেড়েছে। মার্কিন ডলারের দুর্বলতা, যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার চাহিদা বাড়ার কারণে মূল্যবৃদ্ধির চাপ তৈরি হয়েছে।
শুক্রবার আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে সোনার দাম একপর্যায়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৬৩১ ডলার ৯৯ সেন্টে উঠেছিল, যা কয়েক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি। চলতি সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ডলারের দরপতন হলে অন্যান্য দেশের ক্রেতাদের কাছে ডলারে নির্ধারিত সোনার দাম তুলনামূলক আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। এতে চাহিদা বাড়তে পারে এবং সোনার দামও ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার নিয়ে অনিশ্চয়তাও সোনার বাজারে প্রভাব ফেলছে। সুদের হার কমার বা দীর্ঘ সময় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা বাড়লে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে সোনার প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ে।
বিশ্ববাজারে সোনার দাম বৃদ্ধির পেছনে ডলারের দুর্বলতা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং বিনিয়োগকারীদের বাড়তি চাহিদা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের বাজারেও সোনার দাম আরও পরিবর্তিত হতে পারে।
তবে দেশের বাজারে পরবর্তী মূল্য সমন্বয় কখন এবং কতটা হবে, তা নির্ভর করবে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতির ওপর। বাজুসের পরবর্তী সিদ্ধান্তেই এ বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।
সূত্র: বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ও আন্তর্জাতিক বাজারসংক্রান্ত প্রতিবেদন।
পর্তুগালে প্রকাশ্য স্থানে মুখমণ্ডল ঢেকে রাখার ওপর নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর হয়েছে। নতুন আইনের আওতায় এমন পোশাক বা উপকরণ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তির মুখ ও পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে বোরকা ও নিকাবসহ মুখ পুরোপুরি আড়াল করে এমন পোশাক নিয়ে দেশটিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে পরিস্থিতি অনুযায়ী ১৫০ ইউরো থেকে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ইউরো পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
পর্তুগালের নতুন আইনটি সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় পোশাকের নাম উল্লেখ করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বদলে প্রকাশ্য স্থানে পরিচয় গোপন করে এমন মুখঢাকা ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। ফলে বোরকা বা নিকাবের পাশাপাশি অন্যান্য ধরনের মুখঢাকা পোশাকও এই আইনের আওতায় পড়তে পারে।
আইনটি জননিরাপত্তা, সামাজিক যোগাযোগ ও পরিচয় শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয়তার কথা সামনে রেখে তৈরি করা হয়েছে। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এর সমালোচনা করে বলেছে, এই ধরনের বিধিনিষেধ ব্যক্তিস্বাধীনতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে সব পরিস্থিতিতে মুখ ঢেকে রাখা নিষিদ্ধ করা হয়নি। স্বাস্থ্যগত প্রয়োজন, পেশাগত কারণ, শিল্প-সাংস্কৃতিক কার্যক্রম কিংবা আবহাওয়াজনিত পরিস্থিতিতে মুখ ঢাকার সুযোগ রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া উপাসনালয়, কূটনৈতিক স্থাপনা এবং বিমানে ভ্রমণের সময়ও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
আইনটি কার্যকর হওয়ার পর পর্তুগালে ধর্মীয় স্বাধীনতা, ব্যক্তিগত অধিকার ও জননিরাপত্তা নিয়ে বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে। সমালোচকদের মতে, আইনটি বাস্তবে মুসলিম নারীদের বোরকা ও নিকাব ব্যবহারের ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলতে পারে।
অন্যদিকে আইনটির সমর্থকদের যুক্তি, প্রকাশ্য স্থানে মানুষের মুখ দৃশ্যমান থাকা সামাজিক যোগাযোগ, নিরাপত্তা এবং পরিচয় শনাক্তকরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
পর্তুগালের পার্লামেন্টে আইনটি অনুমোদনের পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনেও ব্যাপক আলোচনা চলছে। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে চূড়ান্তভাবে আইনটি অনুমোদিত হওয়ার পর এখন তা বাস্তব প্রয়োগের পর্যায়ে এসেছে।
পর্তুগালের এই সিদ্ধান্ত ইউরোপে প্রকাশ্য স্থানে মুখঢাকা পোশাক নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও সামনে নিয়ে এসেছে। এর আগে ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও নিরাপত্তা, পরিচয় শনাক্তকরণ ও সামাজিক সংহতির যুক্তিতে মুখঢাকার ওপর বিভিন্ন ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
পর্তুগালের ক্ষেত্রে নতুন আইনটি কতটা কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হবে এবং এর ফলে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত অধিকারের ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়বে—তা এখন পর্যবেক্ষণের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রযুক্তি ডেস্ক | আপডেট: ২১ আগস্ট ২০২৬
মানুষের গতির সীমাকে এবার নতুনভাবে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে প্রযুক্তি। চীনের রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান Unitree তৈরি করেছে ‘Superman’ নামের এক মানবাকৃতির রোবট, যা পরীক্ষামূলক দৌড়ে প্রতি সেকেন্ডে ১২.৬৬ মিটার বা ঘণ্টায় প্রায় ২৮.৩ মাইল গতি তুলেছে বলে প্রতিষ্ঠানটির প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে।
এই গতি ২০০৯ সালের বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপে উসাইন বোল্টের রেকর্ড করা সর্বোচ্চ গতির প্রায় ১২.৪২ মিটার/সেকেন্ড-এর চেয়েও বেশি। তবে এটি মানব অ্যাথলেটিক্সের আনুষ্ঠানিক বিশ্বরেকর্ড ভাঙার দাবি নয়; বরং রোবটের প্রযুক্তিগত সক্ষমতার একটি পরীক্ষামূলক প্রদর্শন।
সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, Unitree-এর তথ্যমতে, ‘Superman’ রোবটটি তৈরি করতে সময় লেগেছে মাত্র তিন মাসের কিছু বেশি।
রোবটটির পায়ের দৈর্ঘ্য প্রায় ০.৮৫ মিটার। তুলনামূলক ছোট পদক্ষেপ নিয়েও এত দ্রুত দৌড়ানোর ক্ষমতা রোবটটির প্রকৌশলগত সক্ষমতাকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে।
ভিডিওতে শুধু দ্রুত দৌড় নয়, রোবটটিকে স্থির অবস্থা থেকে প্রায় ২ মিটার উচ্চতায় লাফ দিতেও দেখা যায়। এর ফলে রোবটটির গতি, ভারসাম্য এবং শক্তি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রযুক্তি বিশ্বে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
জ্যামাইকার কিংবদন্তি স্প্রিন্টার উসাইন বোল্ট ২০০৯ সালে ১০০ মিটার দৌড়ে এমন এক গতি অর্জন করেন, যা আজও মানব অ্যাথলেটিক্সের ইতিহাসে অন্যতম বিস্ময়।
অন্যদিকে, ‘Superman’ রোবটের এই গতি অর্জন করেছে একটি যন্ত্র—যার পেছনে রয়েছে উন্নত মোটর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেন্সর, নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং রোবোটিক্স প্রকৌশল।
অর্থাৎ বিষয়টি শুধু দৌড়ের গতি নয়—এটি দেখিয়ে দিচ্ছে, মানুষের তৈরি যন্ত্র কতটা দ্রুত, শক্তিশালী ও গতিশীল হতে পারে।
মানবাকৃতির রোবটের এমন দ্রুত দৌড় ও লাফ দেওয়ার ক্ষমতা ভবিষ্যতে শুধু বিনোদন বা প্রদর্শনীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উন্নত হিউম্যানয়েড রোবট ভবিষ্যতে ব্যবহার করা যেতে পারে—
দুর্যোগ ও উদ্ধার অভিযানে
বিপজ্জনক শিল্পকারখানায়
কঠিন ও দুর্গম এলাকায়
অগ্নিকাণ্ড বা ধ্বংসস্তূপে অনুসন্ধানে
মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কাজে
শিল্প ও নির্মাণ খাতে
জরুরি পরিস্থিতিতে সহায়তার জন্য
ভাবুন তো—যে জায়গায় মানুষের প্রবেশ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, সেখানে যদি দ্রুতগতির একটি বুদ্ধিমান রোবট কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পৌঁছে যেতে পারে, তাহলে উদ্ধারকাজের পুরো চিত্রই বদলে যেতে পারে।
এখনই এমন প্রশ্নের নিশ্চিত উত্তর দেওয়া কঠিন। তবে ‘Superman’-এর মতো রোবটের উন্নতি একটি বিষয় পরিষ্কার করে দিয়েছে—রোবোটিক্স প্রযুক্তি দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
আজ যে কাজকে অসম্ভব মনে হচ্ছে, আগামী দিনে সেটিই হয়তো সাধারণ প্রযুক্তিতে পরিণত হবে।
মানুষের গতি, শক্তি ও বুদ্ধিমত্তার সীমাকে প্রযুক্তি কতদূর পর্যন্ত এগিয়ে নিতে পারে—তারই একটি ছোট্ট ঝলক দেখা গেল ‘Superman’ রোবটের এই পরীক্ষায়।
আপনার কি মনে হয়, আগামী ১০–২০ বছরের মধ্যে মানবাকৃতির রোবট আমাদের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে যাবে?
কমেন্টে আপনার মতামত জানান।
Keywords: Superman Robot, Unitree Robot, Humanoid Robot, Fastest Robot, Robot Technology, AI Robot, Robotics Technology, Usain Bolt Speed, China Robot, Future Technology, Humanoid Robotics, Artificial Intelligence, Robot Running Speed
#SupermanRobot #Unitree #HumanoidRobot #Robotics #AI #FutureTechnology #RobotTechnology #UsainBolt #TechnologyNews #BangladeshTech
আবারও বিতর্কের কেন্দ্রে রোনালদিনিও। একটি ক্রিপ্টোকারেন্সির মামলায় তাঁকে সাক্ষ্য দিতে ডেকেছিল ব্রাজিলের পার্লামেন্টারি কমিশন অব ইনকোয়ারি (সিপিআই)। তবে সাবেক এই ফুটবলার সেই ডাকে সাড়া দেননি। সিপিআই জানিয়েছে, পরবর্তী সমনে উপস্থিত না হলে রোনালদিনিওকে আটক করার নির্দেশ দেওয়া হবে। বিশ্বকাপজয়ী তারকাকে স্থানীয় সময় ২৪ আগস্ট সকালে হাজির হতে বলা হয়েছে।
রোনালদিনিওকে সাক্ষ্য দিতে ডাকা হয়েছে ‘১৮কেরোনালদিনিও’ নামের একটি কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলায়। কোম্পানিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা মানুষের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষ থেকে ৬ কোটি ১২ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণের একটি মামলা করছে সিপিআই।
ব্রাজিলের পাবলিক প্রসিকিউটর অফিসের অভিযোগ, ‘১৮কেরোনালদিনিও’ ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করে আর্থিক পিরামিড স্কিমে জড়িয়ে পড়েছিল। তারা বিনিয়োগকারীদের বলেছিল, ন্যূনতম ৩০ মার্কিন ডলার ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা বিনিয়োগ করলে প্রতিদিন ২ শতাংশ লাভ দেওয়া হবে। আরেকজন ব্যক্তিকে যুক্ত করলে এই লাভের পরিমাণ দাঁড়াবে ৭ শতাংশ।

ব্রাজিলের পোর্তো অ্যালেগ্রাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘জিরো হোরা’র খবরে বলা হয়, সিপিআই ‘১৮কেরোনালদিনিও’র সঙ্গে রোনালদিনিওর সম্পৃক্ততার বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা করতে চায়। এ জন্য মঙ্গলবার তাঁকে উপস্থিত থাকার জন্য ডাকা হলেও তিনি সাড়া দেননি। এর আগের দিন ফেডারেল সুপ্রিম কোর্টে রোনালদিনিওর আইনজীবীরা আবেদন জানান, তাঁকে যেন সাক্ষ্য প্রদান থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তবে আদালত তাঁর আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, রোনালদিনিওকে উপস্থিত হতে হবে। তবে তিনি চাইলে তাঁকে দোষারোপের বিষয়ে চুপ থাকতে পারেন। এরপরও সিপিআই–এর সামনে উপস্থিত না হওয়ায় এর চেয়ারম্যান অরিও রিবেইরো বলেন, বৃহস্পতিবার হাজির না হলে পুলিশ দিয়ে জোর করে ডেকে আনা হবে।
রোনালদিনিও কীভাবে জড়িত?
মার্কার খবরে বলা হয়, ‘১৮কেরোনালদিনিও’ নামের কোম্পানিটির সঙ্গে রোনালদিনিও জড়িত নন বলে দাবি করেছেন তাঁর আইনজীবী। প্রতিষ্ঠানটি তাঁদের ব্যবসা পরিচালনায় রোনালদিনিওর নাম ও ছবি ব্যবহার করতে চেয়েছে। সেই সূত্রে তিনি প্রতিষ্ঠানটির ‘শুভেচ্ছা দূত’ হিসেবে যুক্ত হয়েছিলেন। এর বেশি সংশ্লিষ্টতা নেই।
‘জিরো হোরা’র খবরে বলা হয়, ২০১৯ সালে ব্রাজিলের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান সিভিএম ‘১৮কেরোনালদিনিও’ নামের প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্যমতে, ২০১৫ সালে একটি স্পোর্টস ওয়াচ ব্র্যান্ড হিসেবে তাদের যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে রোনালদিনিও তাদের শুভেচ্ছা দূত হন। একপর্যায়ে বহু ধাপ বিপণন বা এমএলএম মডেলে তারা ক্রিপ্টোকারেন্সি, স্টক এক্সচেঞ্জে কেনাবেচনা এবং অংশগ্রহণকারীদের লভ্যাংশ বণ্টনের কার্যক্রম শুরু করে।
ওই বছরই রোনালদিনিওর আইনজীবী সের্হিও কুইরোজ জানান, রোনালদিনিওর সঙ্গে কোম্পানিটির চুক্তি বাতিল করা হয়েছে। তবে তাদের ওয়েবসাইটে ‘১৮কেরোনালদিনিও’ ব্র্যান্ডের কার্যক্রম চলমান ছিল। কুইরোজ জানান, শুধু ঘড়ি বিক্রিতে রোনালদিনিওর ছবি ব্যবহার করার অনুমতি ছিল, ‘ঘড়ি ও পণ্য বিক্রি বাদে বিটকয়েন বা এ–জাতীয় কিছুতে রোনালদিনিওর ছবি ব্যবহারের অনুমতি নেই। এ কারণে চুক্তি বাতিল করা হয়।’
২০২০ সালে ‘১৮কেরোনালদিনিও’র বিরুদ্ধে নৈতিক ও বস্তুগত ক্ষতির অভিযোগে ৩০০ মিলিয়ন ব্রাজিলিয়ান রিয়াল বা ৬ কোটি ১২ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা হয়, যেখানে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত হিসেবে রোনালদিনিওকেও বিবাদী করা হয়। এই মামলাতেই সাক্ষ্য দিতে হাজির না হয়ে বিপাকে পড়েছেন দুবারের ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়।
এর আগে ২০২০ সালে পাসপোর্ট ছাড়া প্যারাগুয়েতে প্রবেশ করে জেলে গিয়েছিলেন রোনালদিনিও।
বিচারপতি মনিরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদেশে আগামী ৭ নভেম্বরের মধ্যে আত্মসমর্পণের জন্য ড. ইউনুসকে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। এর আগে গত ৯ অক্টোবর গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের চাকরীচ্যুত কর্মীদের মামলায় নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন শ্রম আদালত।
ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান রহিবুল ইসলাম এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।